” লোকে বলে প্রেম আর ……!”

হেলমেট না পরায় মাথায় হাত দিয়ে অপমান করে শাস্তি দিচ্ছেন, লোকে বলে হাবিজাবি কথা বলে বেড়ানো মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাহেব।

অন্যদিকে তিনিই আবার সোনার বাংলা দেশে সানগ্লাস পরিধান করে হেলমেট ছাড়াই বাইক রাইড করে থাকেন!! এমনকি তার রাইডিং টাইমে তার বাইক চালকের মাথায়ও হেলমেট থাকে না!!!

শুধু তাই নয় ওনার আরো অনেক গুন‌ আছে। আর সেই সব গুন আছে বলেই লোকে বলে উনি নাকি বর্তমানে দেশের দুই নম্বর ক্ষয়তাধর ব্যক্তিত্ব। শেখ হাসিনা নাকি আজকাল আর জাতীয় রাজনীতি নিয়ে ভাবার সময় পান না, উনি এখন বিশ্বরাজনীতিতেই ব্যস্ত থাকেন। আর দু’জন বিশিষ্ট’ই নাকি দেশি রাজনীতির কর্ণধার এবং ওনার তাতে দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান।

আমরা বলি লোকের কথা লোকে বলে,মাইন্ড করা যাবে না। কারন সোজা…., “মাইন্ড করলে সাইন হবে না”। বলি কি বাদ দেন ওসব কথা।

“লোকে বলে প্রেম আর আমি বলি জ্বালা!”

“জাতির-বিবেক”- সাংবাদিকদের সাংঘাতিকতা!!

আমরা মনে করি আজকের এই মাদক নিধন প্রকল্পে যত অরাজগতা বা অনিয়ম তার জন্য একমাত্র দ্বায়ী “জাতীয় বিবেক”।

বর্তমানে বাংলাদেশের জাতির বিবেক’কে লাইনে দাঁড়া করিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করলে অধিকাংশের মধ্যেই দেখা যাবে, “মানসিক বিকারত্ব!!!”

আমরা অনুন্নত বা সঠিক পরিমাণে উন্নত জাতি নয় তার একমাত্র কারণ বাংলাদেশের বর্তমান জাতির বিবেকের ভুমিকায় অধিষ্ঠিত যারা (প্রকৃত জাতীয় শক্র) তারা!

বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে গরম ব্যবসা “সাংবাদিকতা” ব্যবসা। তাই যে যেভাবে পারছে আর যার যত রকম ব্যবসা থাকুক বা না থাকুক একটা “সাংবাদিকতা ব্যবসা” খুলছেই বা খোলার পাঁয়তারা করছে, (প্রকাশ্যে বা মনে মনে)। এছাড়াও যারা অন্য কিছু করে ভাত পাবে না বলে গন্য তারা, হয় নিজেই বৈধ/অবৈধ প্রকৃয়ায় একটা রেজিস্ট্রেশন করে নিচ্ছে এই “সাংবাদিক ফ্যাক্টরী’র”, আর তা না পারলে কোন এক ফ্যাক্টরিকে উৎকোচ দিয়ে একটা সাংবাদিকতা’র আইডি কার্ড নিয়ে অবৈধ ব্যবহার করে ইচ্ছা মত কামাচ্ছে, খাচ্ছে-দাচ্ছে!! ……, আর “সোনার বাংলা” গাইছে।

বলা হয় ,” বাংলাদেশে পুলিশের উপর কোন গুন্ডা নাই!!” আপনারা কি জানেন এই পুলিশ কাকে “খেরাজ” দেয়? কাকে ভয় পায়?? কাকে মনে করে “জমদুত”??? একটি মাত্র উত্তর :———— “সাংবাদিক” তথা “জাতির বিবেক”।

*** সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, এই দেশে একশ্রেণীর বৈধ সাংবাদিক আছে যাদের প্ররোচনায় ও সাহায্যেই এই ‘বিশেষ শ্রেণীর সাংবাদিক ভাইরাসটি’ দেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে পড়েছে!! যা’কিনা ঐসব নোংরা, দেশশক্র, আসক্ত, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বৈধ সাংবাদিকদের চিন্থিত করে খবর নিলে জানা যাবে। আর যা’জানা যাবে তা বিচার বিশ্লেষণ করলে এদের বিচার হ‌ওয়া উচিত হবে,”প্রকাশ্য দিবালোকে সর্বস্তরের মানুষের সামনে পাথ্বর মেরে মেরে ফেলা। আরো উচিত হবে এদের জন্মের প্রজন্মের আজীবন জেলবাস দেওয়া।-এই বিচার অত্যাবশ্যকীয় হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করেন এদেশের সঠিক বিবেকবানরা।

আমি অপার হয়ে বসে আছি।

যুদ্ধে হিন্দু মরে না, মুসলমান মরে না। মানুষ মরে। রোগ ও শোক মুসলমান বা হিন্দু দেখে আসে না। সবজির কেনার সময় কেউ সবজি বিক্রেতার জাত পরিচয় জানতে চায় না। মাছ বিক্রেতার ফেরত কৃত টাকায় রোগ জীবাণু থাকে তাতে হিন্দু মুসলমান অপবিত্র হয় না। মানুষ মানুষকে ছুঁয়ে দিলে নাকি অপবিত্র হয়? মুসলমানদের ছেলে সন্তান হলে খৎনা উৎসব করে ঢোল বাদ্য বাজিয়ে অনুষ্ঠান করে কিন্তু মেয়েদের প্রথম মাসিক চক্র শুরু হলে তা পরিবার কেন গোপন রাখে? পুরুষের খৎনা না হলেও লিঙ্গ দিয়ে বীর্যপাত হয়। কিন্তু মেয়েদের মাসিক চক্র না হলে সন্তানেই হবে না। তাহলে কোন’টা থেকে কোন’টা বেশি জরুরী? কোন’টা উৎসবে পরিণত হওয়ার কথা ছিল? মানুষের পায়ুপথ, লিঙ্গ, চোখ, কান, মুখ, মাথা, যোনী, পরিপাক তন্ত্র, রক্ত, রক্তনালী, শিরা উপশিরার হিন্দু মুসলমানের আলাদা পরিচয় নাই কেন? হিন্দু মুসলমানের প্রজনন ক্ষমতা আলাদা নয় কেন? চাঁদ, সূর্য, আলো, বাতাস, মাটি, বৃক্ষ, অক্সিজেন হিন্দু মুসলমানের জন্য আলাদা নয় কেন? উকিলে কাছে যাওয়ার জন্য আমরা জিজ্ঞেস করি না সে হিন্দু নাকি মুসলমান? অপারেশন থিয়েটারে আমরা জানতে চাই না সার্জন ডাক্তার হিন্দু নাকি মুসলমান? আমরা হিন্দু ও মুসলমান দেখি মানুষ দেখিনা কেন? ভুল কোথায় হচ্ছে? ধর্মে? শিক্ষায়? সমাজে? রাষ্ট্রে? পরিবারে? পরিবেশ পারিপার্শ্বিকতায়? নিজেকে জিজ্ঞেস করুন। নিজেকে শোধরানোর দায়িত্ব আপনার নিজেরই। মুখ তুলে কেউ খাইয়ে দিবে না।